দুই মেরুর এক মেরু – পর্বঃ-২৬+২৭

দুই মেরুর এক মেরু – পর্বঃ-২৬+২৭

ঈশানের কথামতো অহনা মেডিকেল যাওয়া ছেড়ে দিলো।অবশ্য মেডিকেল যাওয়া ছেড়ে দেওয়াতে অহনার কম প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়নি!
মায়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে অহনা হয়রান প্রায়। কাকডাকা ভোর থেকে শুরু হয় মায়ের প্রশ্ন।সন্ধ্যেবেলায় পাখিরা নিজ নিজ নীড়ে ফিরে গেলেও মায়ের প্রশ্নের কোনো শেষ নেই। মায়ের প্রশ্ন অব্যাহত থাকে। অহনা যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাতেও সেরকম কোনো লাভ হয় না। উল্টো দশগুণ বেশি তেঁতো কথা জুটে অহনার কপালে।
অহনা চোঁখ-কান সবকিছু বন্ধ রেখে মায়ের কথা হজম করতে থাকে।

মেডিকেল ছাড়ার ১৫ দিন যেতে না যেতেই অহনা নিজের মাঝে অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ করতে থাকে। অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, শরীরজুড়ে বিষাদ ভাব। সবকিছু অহনাকে যথেষ্ট থেকেও বেশি ঘাবড়ে দিতে লাগলো! মনের ভেতর একটা ভয় অহনাকে চতুর্দিক থেকে জাপটে ধরতে থাকে। সকালবেলা সবার সাথে খেতে বসার পর হঠাৎই অহনা উঠে ওয়াশ রুমে চলে গেলো। গা গুলিয়ে সেকি বমি! অহনার জান বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো।মুখে তিন চার দফা পানির ঝাপটা দিয়ে অহনা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসলো। অহনা ওয়াশরুম থেকে বেরোতেই অহনার মা পথ রোধ করে দাঁড়ালো।
_”কি হয়েছে তোর?
_”না মা কিছু হয়নি তো।
_”না বললেই হলো? আমি কয়েকদিন ধরেই তোর মাঝে পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। কি হয়েছে তোর আমাকে পরিষ্কার করে বল।
_”মা বললাম তো আমার কিছু হয়নি। শরীরটা একটু খারাপ লাগছে!
_”এটা কিসের খারাপ লাগা?
_”মা শরীর তো খারাপ হতেই পারে। খারাপ লাগার আবার প্রকার আছে নাকি?
_”আমাকে কথার জালে ফাঁসাবি না অহনা। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি তোর কিছু একটা হয়েছে।
_”মা আমার সত্যি কিছু হয়নি।
_”তাহলে তুই বমি করলি কেনো?
_”মা হতেই তো পারে খাবার পেটে হজম হচ্ছে না।
_”আমি কি এতোটাই খারাপ রান্না করি?
_”বিষয়টা খারাপ রান্নার নয় মা। আমার সত্যিই শরীরটা ভীষণ খারাপ লাগছে! তুমি প্লিজ আমাকে একটু একা থাকতে দাও।
_”ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি। তবে যাওয়ার আগে একটা কথা বলে যাচ্ছি তুই অন্তঃসত্ত্বা! আর এটা আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
মা হন হন করে ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেলো। কিন্তু যাওয়ার আগে অহনাকে প্রচন্ড রকম ভাবে চমকে দিয়ে গেলো। অহনা ধীরে ধীরে নিজের ঘরের আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।
_”আমি কি সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা? আমি সত্যি মা হচ্ছি? অহনা নিজের মাঝে ঈশানের সন্তানকে পেয়ে আত্মহারা হয়ে উঠলো! অহনা দৌঁড়ে এসে বিছানা থেকে ফোনটা নিয়ে ঈশানের ফোনে কল করলো। তিন থেকে চারবার রিং বাজার পর ঈশান ফোনটা রিসিভ করলো।
_”হ্যালো!
_”স্যার কি করছেন?
_”ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলবো তোমার সাথে।
_”কিন্তু স্যার আমি আপনার সাথে এখন কথা বলতে চাই।
_”অহনা আমি মেডিকেলে আছি। তোমার সাথে আমি পরে কথা বলছি।
_”স্যার আমি আপনার সাথে এখন কথা বলবো।
_”জেদ করছো কেনো? বললাম না আমি ব্যস্ত আছি।
_”স্যার আপনি আমার সাথে এভাবে কেনো কথা বলছেন?
_”তাহলে তুমি বাড়াবাড়ি কেনো করছো? তোমাকে তো আমি বলেছি আমি এখন ব্যস্ত আছি। তুমি কি বাংলা কথা বুঝতে পারো না?
_”স্যার আপনাকে আমার খুব জরুরী একটা কথা বলার ছিলো।
_”কিন্তু তোমার থেকে আমার কিছু শোনার নেই। আর যদি বলতেই চাও পরে বলো। এই মুহূর্তে তোমার কথা শুনা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
ঈশান হুট করে ফোনের লাইনটা কেটে দিলো।ঈশানের এরকম অদ্ভুত ব্যবহারে অহনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতে শুরু করলো!কেটে যাওয়া এই পনেরো দিনে ঈশান একবারের জন্যেও অহনাকে কল করেনি। উল্টো অহনার ফোন রিসিভ করেনি। কল ব্যাক করা তো দূরে থাক। দশ মিনিট অপেক্ষা করে অহনা আবারো ঈশানের ফোনে কল করলো।
দুইবার কেটে দেওয়ার পর তিনবারের বেলায় ঈশান কলটা রিসিভ করলো। কল রিসিভ হতে ঈশানের ঝাঁঝালো গলা,
_”সমস্যা কি তোমার? বললাম না আমি ব্যস্ত আছি। তারপরেও কেন বারবার কল করে যাচ্ছো তুমি? মানুষকে বিরক্ত করতে কি তোমার খুব ভালো লাগে?
_”স্যার আমি আপনাকে বিরক্ত কোথায় করলাম? এ ক’দিন আপনাকে আমি কতোবার কল করেছি আপনি দেখেছেন? আপনি আমার কল একবারের জন্যও রিসিভ করেননি। আচ্ছা না হয় দেখেননি তাই রিসিভ করেননি। কিন্তু পরবর্তীতে যখন দেখলেন তখন তো ব্যাক করতে পারতেন। কিন্তু আপনি তো সেটাও করেননি। তাহলে আমি কি ধরে নিবো?
_”তোমার যা ইচ্ছে ধরে নাও। আই ডোন্ট কেয়ার! কিন্তু আমাকে বিরক্ত করো না। আমি এখন ব্যস্ত আছি। আর ব্যস্ততার সময় বিরক্ত করা আমার একটুও পছন্দ নয়।
_”স্যার আমি তো আপনাকে ব্যস্ততার সময় বিরক্ত করতে চাইনি। আমিতো আপনাকে যখন আপনি ফ্রি থাকেন তখনই কল করেছিলাম। কিন্তু আপনিই তো রিসিভ করেননি। এখানে আমার দোষটা কোথায়?
_”কেনো নিজের দোষ দেখতে পাচ্ছো না?
_”পাচ্ছি না বলেই তো আপনাকে প্রশ্ন করছি।
_”নিজের দোষ কারোর চোঁখেই পড়েনা অহনা। অন্যের দোষটা শুধু চোঁখে পড়ে। যাই হোক কি বলতে কল করেছো সেটা তাড়াতাড়ি বলো!
_”স্যার আপনি কেমন আছেন?
_”ফাইন!
_”আমি কেমন আছি জিজ্ঞেস করবেন না?
_”না। তুমি যে ভালো আছো সেটা আমি খুব ভালো করেই জানি।
_”এভাবে বলছেন কেনো স্যার? খারাপও তো থাকতে পারি।
_”আমার মনে হচ্ছে তুমি ভালো আছো।
_”আমি ভালো নেই। আপনাকে আমার অনেক কিছু বলার আছে। আপনি কি শুনবেন?
_”অহনা বললাম তো আমি এখন খুব ব্যস্ত আছি। তুমি কি কানে শুনতে পাওনা? কেনো অযথা বিরক্ত করছো? সত্যি বলতে তোমার মতো নির্লজ্জ মেয়ে আমি আমার জীবনে আর একটা দেখিনি।
ঈশান রাগে গজ গজ করতে করতে ফোন কেটে দিলো। কিন্তু ঈশানের এই ওভার রিয়েক্ট এর কারণ অহনা বুঝতে পারলো না। খুব সামান্য কারণে ঈশানের এই ব্যবহারটা সত্যিই দুর্ব্যবহার ছিলো!
অহনা কাঁদতে কাঁদতে নিজের বালিশ ভিজিয়ে ফেললো। কিন্তু নিজেকে কিছুতেই শান্ত করতে পারলো না। হঠাৎ কাঁধে কারো আলতো ছোঁয়া পেয়ে অহনা উঠে বসলো। পিছে তাকিয়ে রিজওয়ান কে দেখে অহনা থতমত খেয়ে গেলো।
_”স্যার আপনি কখন এসেছেন?
_”যখন তুমি কষ্ট পেয়েছো তখন।
_”আমি কষ্ট পেলে আপনি বুঝতে পারেন স্যার?
_”অবশ্যই বুঝতে পারি। শুধু তাই নয় তুমি কষ্ট পেলে আমিও ভীষণ কষ্ট পাই।
_”স্যার আপনি কি আমাকে বিশ্বাস করেন?
_”কেনো করবো না অহনা? আমি তোমাকে অনেক বিশ্বাস করি!
_”সত্যি বলছেন স্যার?
_”হুঁ সত্যি বলছি।
রিজওয়ান অহনার চোঁখের জল মুছে দিতে দিতে বললো,
_”তুমি অন্তঃসত্ত্বা তাই না?
_”স্যার,,,,,,,
_”আর কোন কথা নয়। আমি যা বলেছি সেটার উত্তর দাও।
_”হ্যাঁ স্যার। কিন্তু সেটা মা বলছেন।
_”মা যা বলেছেন সেটা তো বুঝেই বলেছেন। তাইনা অহনা?
_”আমার কিছু ভালো লাগছেনা। আমি এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা।
_”কি করবে মানে?
_”ঈশান স্যার কি এই বাচ্চাকে মেনে নেবেন?
_”নেবে না কেনো?
_”জানিনা আমি। প্লিজ আপনি এখন চলে যান!
রিজওয়ান আর কোন কথা না বাড়িয়ে অহনার বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে আসলো।
রাত ঠিক বারোটা নাগাদ ঈশান অহনার ফোনে কল করলো। অহনা ভাঙা ভাঙা গলায় ফোনটা রিসিভ করলো।
_”হ্যালো অহনা!
_”শুনতে পাচ্ছি বলুন!
_”কি করছো?
_”এতো রাতে মানুষ যা করে তাই করছি।
_”মানুষ কি করে সেটা তো আমি জানি না। তবে তুমি কি করছো সেটা বলো।
_”ডাইরি লিখছিলাম।
_”ও তাহলে এতো রাতে বুঝি মানুষ ডাইরি লেখে?
_”আমি কি সে কথা বলেছি নাকি?
_”বলোনি?
_”না বলিনি।
_”আমি যদি বলি বলেছো?
_”কখন বললাম?
_”যখন আমি প্রশ্ন করলাম কি করছো।
তুমি বললে এতো রাতে মানুষ যা করে তাই করছো। মানে তো এটাই দাঁড়ায় এতো রাতে মানুষ ডাইরি লেখে।
_”ওটা রাগের মাথায় বলেছি।
_”ঠিক আছে একটু বাইরে এসো!
_”আসবো না বৃষ্টি হচ্ছে।
_”তাতে কি তুমি তো বৃষ্টি খুব পছন্দ করো!
_”বললাম তো ভালো লাগছে না!
_”আসবেনা?
_”ঠিক আছে আসছি।

অহনা চাদরমুড়ি দিয়ে পা টিপে টিপে বাইরে বেরিয়ে পড়লো। বাহিরে বেরিয়ে অহনা ঈশান কে দেখে অবাক হয়ে গেলো! মেডিকেলে পড়ে যাওয়া সাদা পোশাক টাতেই ঈশান জড়িয়ে আছে। মানে একটাই ঈশান বাড়ি না গিয়ে সরাসরি এখানে এসেছে। আর এতো রাত অব্দি মেডিকেলে থাকা মানে সত্যিই ঈশান খুব ব্যস্ত ছিলো।
ঈশানের উপর থেকে সব অভিমান দূর হয়ে পড়ায় আবেগে অহনার দু’চোঁখ ছল ছল করে উঠলো!
তবে মেডিকেলের এই সাদা শার্টে ঈশানকে অন্যদিনের তুলনায় আজকে একটু বেশিই সুন্দর লাগছে!হয়তোবা দীর্ঘ পনেরো দিন পরে দেখা হওয়ার কারণেই এই সৌন্দর্য!
অহনাকে হাঁ করে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ঈশান অহনার কাছে এগিয়ে আসলো।
_”কি ব্যাপার চোঁখ ফেরাতে পারছো না! মনে হচ্ছে আমাকে আজকে একটু বেশিই হ্যান্ডসাম লাগছে?
_”কে বললো আপনাকে?
_”তোমার চোঁখ!
_”দেখুন স্যার চোঁখ কিন্তু কথা বলে না।
_”চোঁখ কথা বলে না সেটা তোমাকে কে বললো?
_”আমি আপনার সাথে কোন কথা বলতে চাই না।
_”সেটা জানি।
_”তবে আমাকে কিন্তু আজকে খুব বেশি,,,,,
_”বিচ্ছিরি দেখা যাচ্ছে।
_”নীলা কিন্তু সেটা বলেনি।
_”মানে? আপনি আবারো রিসিপশনের ওই ডাইনিটার সাথে,,,,
_”ডাইনি? নীলাকে তোমার কাছে ডাইনি বলে মনে হলো?কিন্তু তুমি কি জানো নীলা আমাদের মেডিকেলের সবথেকে সুন্দরী মেয়ে?
_”সুন্দরী না ছাই। কি চ্যাপ্টা মারা একটা নাক। ওটা কে কি নাক বলে নাকি?
_”নাকটা যেমনই হোক না কেনো। চোঁখগুলো কিন্তু খুব সুন্দর!
_”চোঁখগুলো সুন্দর তাই না? স্যার আপনার চোঁখটা তেই সমস্যা আছে। তাহলে ওরকম একটা টেরি কে আপনি কি করে সুন্দর চোঁখ বললেন?
_”টেরি আবার কি জিনিস?
_”ওটা আপনি বুঝবেন না।
_”বললে কিন্তু ঠিকই বুঝতাম।
_”মানে দু’চোঁখ টেরা!
_”কই আমি তো সেরকম কিছু দেখলাম না।
_”ও তার মানে আপনি ওই মেয়ের দিকে চেয়ে থাকেন? আর ওই জন্যই আমাকে মেডিকেল থেকে সরিয়ে দিয়েছেন?
_”ভাবতে মজা লাগছে?
_”না স্যার। খুব কষ্ট হচ্ছে!
_”তাহলে এরকম কিছু কেনো ভাবো যেটাতে নিজের কষ্ট হয়?
_”স্যার ওই মেয়ে আপনাকে হ্যান্ডসাম কেনো বললো?
_”আমি দেখতে হ্যান্ডসাম তাই।
_”আপনি মোটেও হ্যান্ডসাম নয়।
_”সত্যি?
_”হ্যাঁ সত্যি।
_”তাই জন্যই তুমি রিজওয়ান কে জড়িয়ে ধরেছিলে?
_”স্যার,,,,,
ঈশানের কথা শুনে অহনা কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে বসে পরলো। অহনাক এভাবে কাঁদতে দেখে ঈশান বললো,
_”এদিকে এসো!
_”না আসবো না। আপনি সবসময় আমাকে এসব কেনো বলেন?
_”ঠিক আছে আর বলবো না। এবার এসো তো!
_”কোথায় আসবো?
_”চলো বৃষ্টিতে ভিজি!
_”কি বলছেন আপনি স্যার? এখন তো অনেক রাত।
_”তাতে কি? ভিজবে না তুমি আমার সাথে?
_”ভিজবো তো! আমি আপনার সাথেই ভিজবো! কিন্তু আমার একটা শর্ত আছে।
_”কি শর্ত?
_”আমি যতক্ষণ ইচ্ছে বৃষ্টিতে ভিজবো। আর পুরোটা সময় আমাকে আপনার কোলে করে রাখতে হবে।
_”এটাই?
_”জি।
_”শুধু তো কোলে রাখতে পারবো না।
_”তাহলে?
_”বুঝতে পারছো না?
_”না পারছি না।
_”সময় আসলেই বুঝতে পারবে।

ঈশান এগিয়ে এসে অহনাকে কোলে তুলে নিলো।এই ঝুম বৃষ্টিতে ঈশানের কোলে ভিজতে ভিজতে অহনা নিজের আবেগের কূলকিনারা হারিয়ে ফেললো। অহনা আলতো করে ঈশানের মুখটা নিজের কাছে টেনে আনলো।
_”স্যার!
_”বলো!
_”আমি আপনাকে খুব ভালোবাসি!
_”আমাকে?
_”স্যার আপনি কেনো বিশ্বাস করেন না?
_”বলেছি বিশ্বাস করিনা?
_”তাহলে আপনি বিশ্বাস করেন?
_”হ্যাঁ করি।তবে তোমার কিছু কাজে বিশ্বাসটা চলে যায়।
_”স্যার আমি এরকম কী করেছি?
_”কিছুই করোনি?
_”স্যার আপনি আমাকে ভুল বুঝেছেন। তবে যা দেখেছেন সেসব আর কখনোই হবে না।
_”ঠিক আছে বাদ দাও।
অহনা খুব নিরামিষ লাগছে!
_”কেনো স্যার?
_”এইতো ওপরে চাঁদ , পৃথিবীতে বৃষ্টি। বউটা কোলে আছে তবুও কিছু বোঝে না তাই।
_”স্যার,,,,
_”বলো!
_”যা ইচ্ছে করে নেন আমি চোঁখ বুঝছি!
অহনা চোঁখ বন্ধ করতেই ঈশান অহনাকে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে চেপে ধরে।
_”অহনা আমি তোমাকে খুব,,,,,,

চলবে……

গল্প: দুই মেরুর এক মেরু।
লেখা: আফরাহ্ হুমায়রা।